অনলাইন ডেস্ক:
আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, দক্ষিণ-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও এর কাছাকাছি দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত লঘুচাপটি দক্ষিণপূর্ব বঙ্গোপসাগর ও এর কাছাকাছি পূর্ব মধ্য বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে। এটি আরও ঘনীভূত হতে পারে।
বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট লঘুচাপটি ঘনীভূত হয়ে নিম্নচাপে পরিণত হচ্ছে। এতে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে আগামী সোম বা মঙ্গলবার থেকে বৃষ্টি হতে পারে। দেশের দক্ষিণাঞ্চলে বেশি বৃষ্টির সম্ভাবনা আছে বলে জানায় আবহাওয়া অফিস।
আবহাওয়াবিদ একেএম নাজমুল হাসান বলেন, বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট লঘুচাপটি স্পষ্ট হয়েছে। আগামীকাল এটি নিম্নচাপে পরিণত হতে পারে। এর ফলে আগামী ২৩ অক্টোবর হালকা বৃষ্টি হয়ে ২৫ থেকে ভারি বৃষ্টিপাত শুরু হবে।
শনিবার সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ৭২ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, আজ শনিবার দেশের কোথাও বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই। সারাদেশে অস্থায়ীভাবে মেঘলা আকাশসহ আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। সারাদেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ মো. বজলুর রশীদ শনিবার বলেন, সাগরে সৃষ্টি হওয়া লঘুচাপটি ঘনীভূত হয়ে এখন স্পষ্ট হয়েছে। এরপর এটি নিম্নচাপে পরিণত হবে। এর ফলে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে সোম অথবা মঙ্গলবার থেকে বৃষ্টি হতে পারে বলে জানান মো. বজলুর রশীদ। তিনি বলেন, রংপুর বাদ দিয়ে দেশের বিভিন্ন এলাকায় বৃষ্টি হবে। এই বৃষ্টি ২৩ থেকে হালকা হয়ে ২৫ পুরোদমে বৃষ্টিপাত শুরু হয়ে চলতে পারে ২৭ অক্টোবর পর্যন্ত। তবে দক্ষিণাঞ্চলে বৃষ্টির সম্ভাবনা বেশি।
মৌসুমি বায়ু ইতোমধ্যে দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে বিদায় নিয়েছে। চলতি মাসের শুরু থেকে দেশের বিভিন্ন স্থানে শুরু হয় বৃষ্টি। ময়মনসিংহে রেকর্ড পরিমাণ বৃষ্টি হয়। তবে এরপর বৃষ্টি কমতে থাকে। তবে বৃষ্টির পর তাপমাত্রা কমতে শুরু করে। এরই মধ্যে সাগরে লঘুচাপের সৃষ্টি হলো।
সাধারণত মৌসুমি বায়ু আসার আগে এবং চলে যাওয়ার পর ঘূর্ণিঝড় হয়। অক্টোবর ও নভেম্বর ‘ঘূর্ণিঝড়প্রবণ’ মাস হিসেবে পরিচিত। মৌসুমি বায়ু আসার আগে মার্চ, এপ্রিল ও মে মাসে ঘূর্ণিঝড় হয়। আবার চলে যাওয়ার পর অক্টোবর, নভেম্বর ও ডিসেম্বরে ঘূর্ণিঝড় হয়ে থাকে।
Leave a Reply